সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

Calendula-Tea jpg copy.jpg

উপকারী খাবার গাঁদা ফুলের চা তৈরীর রেসিপি

গাঁদা ফুলের মতো গাঁদা ফুলের চাও অসংখ্য চিকিৎসাগুণ সমৃদ্ধ একটি পানীয়। তবে গাঁদা ফুল থেকে চা কিভাবে তৈরী করা হয় সেটা অনেকেই জানেন না। তাই গাঁদা ফুলের চা তৈরীর অত্যন্ত সহজ রেসিপি সবার সাথে শেয়ার করছি।

উপকরণ:  ১. গাঁদা ফুলের শুকনো পাঁপড়ি
               ২. গরম পানি
               ৩. মধু

পদ্ধতি:
১. গাঁদা ফুল থেকে আগেই কিছু পাঁপড়ি ছিঁড়ে নিয়ে রোদে বা খোলা জায়গায় ভালোভাবে শুকিয়ে রাখুন।
২. এখন ১ কাপের সমপরিমাণ বা তার চেয়ে একটু বেশি পানি ফুটিয়ে নিন।
৩. ফুটন্ত পানিতে ১ টেবিলচামচের সমপরিমাণ শুকনো পাঁপড়ি ছেড়ে দিন এবং ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে ৮-১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
৪. অত:পর চুলা থেকে নামিয়ে পাঁপড়িগুলো ছেঁকে তুলে পানিতে ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন এই ভিন্নধর্মী পানীয়।

লক্ষণীয়:
১. যেহেতু এই চা-এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, তাই বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও দিনে ২/৩ বার এটা পান করতে পারবে।
২. চাইলে কিছু পরিমাণ চা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং অন্যান্য কাজে যেমন, চুল ধোয়া বা গোসলের পানিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

উপকারিতা:
১. বাচ্চাদের পেটে ব্যথা এবং জ্বর সারিয়ে তুলতে গাঁদা ফুলের চায়ের জুড়ি নেই।
২. মানসিক চাপ বা আঘাত কাটিয়ে তুলতে এবং স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যায় এটি ভাল কাজ করে।
৩. গ্যাস্ট্রিক অালসার, মুখ ও গলার প্রদাহ বা সংক্রমণ, পরিপাক ক্ষমতা বৃদ্ধি, লিভারের রোগ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসায় গাঁদা ফুলের চা অনেক উপকারী।

অতএব, গাঁদা ফুলের চা পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্হ থাকুন।

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।

গাঁদা-ফুল, চা, পেট-ব্যাথা, জ্বর, মানসিক-অশান্তি