সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

কাতলা মাছের কালিয়া

কাতলা মাছ খাওয়া বাঙালি সংস্কৃতির ও ঐতিহ্যের উত্স। স্বাদে সবরকম মাছের মধ্যে রুই মাছের পরই এ মাছের স্থান। ভাজা কাতল, মাছের তরকারি, দোপেঁয়াজা, কোরসা, মুড়োঘন্ট, ...

টমেটো পাবদা বিলাসী

পাবদা মাছ অত্যন্ত সুস্বাদু এবং মাছের আভিজাত্যের মধ্যে অধিক জনপ্রিয় একটি মাছl বাঙালি মানেই তো মাছে ভাতে বাঙালি। ছুটির দিন দুপুরে গরম ভাতের সাথে মুসুর ডাল...

তেল ছাড়া বেগুন ভাজি

বেগুন ভাজি করতে স্বাভাবিক ভাবেই বেশি তেল লাগে। কিন্তু সেটা যদি করা যায় মজাদার ভাবে তবে তেল ছাড়া তাহলে সেটা স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভালো হয়। ...

রুই মাছের ডিম ভাজি

রুই মাছ আমার অনেক প্রিয়। মাছের সাথে যখন দেখি পেটের ভেতর ডিমটাও আছে, আমার খুশি তখন দেখে কে। একবার বাড়িতে রান্না করেই দেখুন, আপনিও খুশি হবেন।উপকরণঃরুই মাছের ডি...

ফোঁড়ন দিয়ে রুই

আমরা মাছে ভাতে বাঙালি হলেও এমন অনেকেই আছেন যারা মাছ খেতে চান না। মাছে নাকি তাদের আঁশটে গন্ধ লাগে। বিশেষত তাদের জন্য এই রেসিপি। অন্যরাও রান্না করে খেতে প...

পুঁই ডালের চচ্চড়ি

প্রচণ্ড গরম এবং পাশাপাশি  চলছে রোজা। সারাদিন রোজা রাখার পরেও ইফতারিতে ভাজা খাবার খেয়ে থাকি আমরা। তাই সেহরি বা রাতের খাবারে যদি কম তেল মশলার খাবার খাওয়া ...

ভিন্ন স্বাদের আলুর ভর্তা

বাঙালীর অতি সাধারণ খাবার হলো আলুর ভর্তা। ডাল আর আলুর ভর্তা হলে যেন একটু বেশি পেটপুরে খাওয়া যায়। কেমন হবে যদি এই এই চিরচেনা আলুর ভর্তায় একটু ভিন্ন স্বাদ আনা...

কাঁচাকলার বড়া

আজকের রেসিপি কাঁচাকলার বড়া। কাঁচাকলা ভীষণ পুষ্টিকর একটা সব্জি। সব বয়সি মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য এটি খুবই উপকারী। গর্ভবতী মা ও ছোট শিশুদের প্রতিদিনের ...

মটরশুটি দিয়ে লাউ

উপকরনঃ লাউ, মটরশুটি, জিরা, লবণ, চিনি, দুধ বা ময়দা, ভাঁজা কুমড়ো বড়ির গুড়ো ও তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কচি লাউ খোসা ছাড়িয়ে সরু করে কেটে নিন। এবার লাউ ও মটরশুটি গুলো গরম পানিতে ভাপিয়ে নিন। তারপর কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে আস্ত জিরা ফোঁড়ন দিয়ে ভাপানো লাউ, মটরশুটি, লবণ, সামান্য চিনি ও ভাঁজা কুমড়ো বড়ি ও সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। সেদ্ধ হয়ে এলে ঘন দুধ বা ময়দা পানি দিয়ে গুলে ঢেলে দিন। থকথকে হয়ে গেলে নামিয়ে ভাত দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

মুড়িঘন্ট

উপকরণঃ রুই বা কাতলা মাছের মুড়ো বা মাথা ও কানসা – ১ টি, মুগের ডাল – ১ কাপ, আদা বাটা – ১/৪ চা চামচ, জিরা বাটা – ১/৪ চা চামচ, মরিচ বাটা – ১ চা চামচ, তেজপাতা – ২ টা, গরম মসলা – ৩/৪ টুকরা, শুকনা মরিচ – ২/৩ টা, গোটা জিরা – সামান্য, লবণ, হলুদ, ঘি ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে মাছের মাথা কেটে ধুয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে গরম তেলে ভেঁজে নিন। তারপর মুগডাল ভেঁজে আধা সেদ্ধ করে নিন। এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে তেজপাতা, জিরা, শুকনা মরিচ ফোঁড়ন দিয়ে একে একে আদা বাটা, জিরা বাটা, মরিচ বাটা, লবণ, হলুদ ও ভাজা মাছের মাথা দিয়ে নেড়ে চেড়ে সেদ্ধ ডাল ঢেলে পরিমান মত...

মূলা পালং পুঁটি

উপকরনঃ মূলা – ২০০ গ্রাম, পুঁটিমাছ – ৪০০ গ্রাম, পালংশাক – ১ আঁটি, হলুদ- সামান্য, পেঁয়াজ কুচি – আধা কাপ, মরিচের গুড়া – ১ চা চামচ, জিরার গুড়া – ১/৪ চা চামচ, আদা বাটা – আধা চা চামচ, রসুন ও জিরা বাটা – আধা চা চামচ, লবণ, ধনেপাতা কুচি, ধনের গুড়া ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে পুঁটিমাছ কেটে ধুয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে ভেঁজে নিন। অথবা আদা, রসুন, মরিচ, হলুদ, ও লবণ দিয়ে তেলের উপর কাঁচামাছ ঢেলে কষিয়ে নিলেও বেশ ভাল লাগে। তারপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ভেঁজে সামান্য পানি দিয়ে উপকরনের বাটা মসলা ও লবণ দিয়ে ভাল করে কষিয়ে আবারও সামান্য পানি দি...

বাঁধাকপির কোপ্তা কারী

উপকরনঃ বাঁধাকপি – ছোট ১ টা, আদা বাটা – আধা চা চামচ, মরিচ বাটা- ১ চা চামচ, লবণ – স্বাদমত, চিনি, বেসন, আটা বা ময়দা, জিরা, গোটা মরিচ, হলুদের গুড়া, টকদই, গরম মসলা গুড়া ও তেল – সব কিছুই পরিমান মত দিতে হবে। প্রনালীঃ প্রথমে বাঁধাকপি কেটে সেদ্ধ করে হাত দিয়ে চটকে নিন। চটকানো বাঁধাকপির মধ্যে আদা বাটা, মরিচ বাটা, লবণ, চিনি, বেসন ও ময়দার গুড়া দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে গোল গোল রলের মত করে গরম তেলে ভেঁজে নিন।

ঝিঙ্গা পোস্ত চচ্চড়ি

উপকরনঃ ঝিঙ্গা – ৪০০ গ্রাম, পোস্ত বাটা – ২ চা চামচ, পাঁচফোড়ন – সামান্য, কাঁচা মরিচ বা শুকনা মরিচ বাটা – পরিমান, হলুদের গুড়া – আধা চা চামচ, লবণ ও তেল – স্বাদমত। প্রনালীঃ প্রথমে ঝিঙ্গার খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিন। পোস্ত ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর বেটে নিন। তারপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পাঁচফোড়ন আর ঝিঙ্গা গুলো ঢেলে ভাঁজতে থাকুন। ভাঁজা ভাঁজা হলে আন্দাজমত লবণ, হলুদ, মরিচ বাটা, পোস্তবাটা দিয়ে নেড়ে চেড়ে সামান্য পানি ঢেলে চুলায় আচ দিতে থাকুন। এরপর পানি শুকিয়ে ঝরঝরা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

পাঁচ মিশালী ডাল

উপকরনঃ পাঁচ ধরনের ডাল সমপরিমানে – ৩০০ গ্রাম, আদা কুচি – ১ চা চামচ, গোটা শুকনা মরিচ – ৫ টি, কালো সরিষা – সামান্য, চিনি, লবণ, কাঁচামরিচ, তেঁতুলের কাঁথ ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে সব ধরনের ডাল ধুয়ে সেদ্ধ করে থকথকে অবস্থায় নামিয়ে রাখুন। তারপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে শুকনা মরিচ, আদা কুচি, সরিষা ফোঁড়ন দিন। এরপর সামান্য চিনি, লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে সেদ্ধ করা ডাল ঢেলে নেড়ে দিন। মিনিট দুয়েক নেড়ে চেড়ে চুলা থেকে নামানো আগে তেঁতুলের কাঁথ দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

মলা মাছের মজাদার চচ্চরি

উপকরনঃ মলা মাছ – ৪০০ গ্রাম, আলু – ৪ টি, গোল বেগুন - ১ টি, পেঁয়াজ কুচি – ৩ টা, আদা কুচি – আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি – ৬/৭ টি, লেবুর রস – সামান্য, হলুদের গুড়া, লবণ, সরিষার তেল ও ধনে পাতা – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে মলা মাছ গুলো কেটে বেছে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর আলু বেগুন চিকন লম্বা লম্বা করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর মাছ, আলু ও বেগুন আলাদা আলাদা করে হলুদ ও লবণের গুড়া দিয়ে মাখিয়ে গরম তেলে কড়া করে ভেজে নিন। তারপর এগুলো পরিবেশন পাত্রে তুলে রেখে পেঁয়াজ কুচি, আদা কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, সরিষার তেল, লেবুর রস ও ধনে পাতা কুচি দিয়ে মাখিয়ে অন্যস্...

মাছের ঝুরি ভাঁজা

উপকরনঃ যে কোন বড় মাছ – আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি – ৩ টা, শুকনা মরিচের গুড়া – ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি – ৫ টি, লবণ ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে মাছ কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। এরপর মাছের টুকরো গুলো গরম পানিতে সেদ্ধ করে কাটা বেছে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। তারপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ছেড়ে বাদামী রং এ ভেজে মাছ গুলো ঢেলে দিন। এবার মাছের মধ্যে শুকনা মরিচের গুড়া, লবণ ও হলুদের গুড়া দিয়ে অনরবত নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে ভাঁজা ভাঁজা হয়ে এলে কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে আবারও কিছুক্ষন নেড়ে চেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে পছন্দনুযায়ী সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

বেগুনের ঘন্ট

উপকরনঃ বেগুন – আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি – আধা কাপ, আদা বাটা – ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি – ৭ টি, হলুদের গুড়া – ১ চা চামচ, লবণ ও তেল – স্বাদমত। প্রনালীঃ প্রথমে বেগুন চুলায় দিয়ে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে হাত দিয়ে চটকে নিন। এবার পাত্রে পরিমান মত তেল গরম করে সামান্য পেঁয়াজ কুচি ভেজে বেগুন চটকানো ছেড়ে দিন। তারপর কাঁচামরিচ ফালি, পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, লবণ ও হলুদের গুড়া দিয়ে ভালভাবে নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে বেগুনের উপর তেল উঠে এলে চুলা থেকে নামিয়ে রুটি বা ভাত দিয়ে পরিবেশন করুন।

পাঁচমিশালী ঘন্ট

উপকরনঃ পছন্দমত যে কোন সবজি ( আলু, পটল, বেগুন, ঝিঙ্গে, মিষ্টি কুমড়ো ) ইত্যাদি পরিমান মত, তেজপাতা- ২/৩ টা, শুকনা মরিচ- কয়েকটি, পাঁচফোড়ন – সামান্য, লবণ – পরিমান মত, চিনি – সামান্য, আদা বাটা – আধা চা চামচ, ধনে ও জিরা গুড়া – সামান্য, ঘি ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে সবজি গুলোর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট করে কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে পরিমান মত তেল গরম করে শুকনা মরিচ, তেজপাতা ও পাঁচফোড়ন দিয়ে কাটা তরকারী গুলো ঢেলে দিন। তারপর চুলার আচে ভাঁজা ভাঁজা করে কষিয়ে নিন। কষানো শেষ হলে আদাবাটা, পরিমান মত লবণ, সামান্য চিনি, ধনে ও জিরা...

গমের জাউ ভাত

গমের জাউ ভাত অনেক মজাদার ও পুষ্টিকর একটি খাবার। অতি সহজে ছোট বড় সবার জন্য এই খাবারটি রান্না করে পরিবেশন করুন পারেন। উপকরনঃ গম - আধা কেজি, আউস ধানের চাল – আধা পোয়া ও লবণ – আন্দাজমত। প্রনালীঃ প্রথমে গম ঢেকি, উকলি বা যাঁতা দিয়ে পিষে উপরের খোসা তুলে সাদা ও পরিষ্কার করে ফেলুন। তারপর গম ও চাল একসঙ্গে ধুয়ে বেশি করে পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। প্রায় আধা ঘন্টা জ্বাল দিয়ে গম একেবারে নরম ও পানি গাঢ় করে ফেলুন। এবার চামচ দিয়ে হালকা নেড়ে লবণ মিশিয়ে গরম জাউ বিভিন্ন ভর্তা বা মাংসের ঝল দিয়ে পরিবেশন করুন।

মসুরের ডালের ভাত

রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু অঞ্চলের মানুষের কাছে মসুরের ভাত অনেক জনপ্রিয় একটা খাবার। বিশেষ করে জমিদারী ও কৃষকের ঘরে এই খাবারটি খেতে বেশি দেখা যায়। যখন ঘরে নতুন ফসল ওঠে তখন সখের বসে অনেকে মজাদার এই খাবারটি খেয়ে থাকে। উপকরনঃ মসুরের ডাল – আধা কেজি, মোটা লাল আমন ধানের চাউল – ১ পোয়া। প্রনালীঃ প্রথমে মসুর মেশিন দিয়ে ভাঙ্গানোর পর উপরের খোসা সহ গোটা গোটা মসুর ভাল করে ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর চাল ও ডাল একসাথে ধুয়ে হাতের ৪ ইঞ্চি পরিমান পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। ভাত ফুটে উঠলে ও হালকা সিদ্ধ হলে চুলার আচ কমিয়ে ঝরঝরা করে রান্না করুন। লোভনীয় এই ...

পাটায় বাটা লাউ শাকের ভর্তা

উপকরনঃ লাউ শাকের পাতা – ১০ টি, কাঁচা মরিচ কুচি – ৭ টি, রসুন কুচি – ১ টি ( বড় রসুন), পেঁয়াজ কুচি – ২ টি, লবণ ও সরিষার তেল – আন্দাজমত। প্রনালীঃ প্রথমে লাউ শাকের পাতা, কাঁচা মরিচ, রসুন ও পেঁয়াজ ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিন। তারপর একটি কড়াইয়ে লাউ শাকের মধ্যে কাঁচা মরিচ, লবণ ও রসুন কুচি দিয়ে একসঙ্গে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হলে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। এরপর ঐ কড়াই সামান্য সয়াবিনের তেল দিয়ে পেঁয়াজ গাঢ় বাদামী রং এ ভেজে নিন। এবার শাক পাটায় মিহি করে বেটে নিন। বাটা হয়ে গেলে সরিষার তেল ও ভাজা পেঁয়াজ মিশিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

টমেটো নিরামিষ চচ্চরি

টমেটোর নিরামিষ চচ্চরি অনেক মজাদার একটি খাবার। টমেটো দিয়ে যে কোন বড় থেকে ছোট মাছ, ভাজি, ভর্তা ও নিরামিষ ছাড়াও অনেক রুচিসুলভ খাবার আমরা খেয়ে থাকি। উপকরনঃ বেগুন – ১ পোয়া, মূলা – ১ টি, আলু – ৪ টি, শালগম – ১ টি, গাজর – ২ টি, কাঁচা টমেটো – ১ পোয়া, ধনিয়া পাতা – পরিমান মত, মরিচের গুড়া – ২ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া – ১ চা চামচ, জিরা বাটা – আধা চা চামচ, আদা বাটা – আধা চা চামচ, লবণ – স্বাদমত, হলুদের গুড়া – ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি – ৫ টি ও সয়াবিনের তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে বেগুন, মূলা, আলু, শালগম, গাজর ও টমেটো বড় বড় করে কেটে নিন। তারপর শা...

কাঁচা টমেটো ভাজি

উপকরনঃ কাঁচা টমেটো – আধা কেজি, নতুন লাল আলু – ১ পোয়া, কাঁচা মরিচ – ১০ টি, পেঁয়াজ কুচি – ২ টি, হলুদের গুড়া – ১ চা চামচ, লবণ – পরিমান মত, ধনিয়া পাতা ও সয়াবিনের তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে টমেটো ধুয়ে একটু মোটা করে কুচি করে কেটে নিন। তারপর আলু টমেটোর চেয়ে মিহি করে কুচি করে কেটে ধুয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ বাদামী রং এ ভেজে টমেটো-আলু দিয়ে নেড়ে চুলায় আচ দিতে থাকুন। টমেটো হালকা সিদ্ধ হলে হলুদ ও লবণ দিয়ে নেড়ে চুলার আচ হালকা কমিয়ে দিন। ভাজি যখন কড়াইয়ে লেগে যাবে তখন ওপরে ধনিয়া পাতা ছিটিয়ে ১ মিনিট পর ...

কাঁচা টমেটো ভর্তা

উপকরনঃ কাঁচা টমেটো – ২ টি, কাঁচা মরিচ -৬ টি, পেঁয়াজ কুচি – ১ টি, সরিষার তেল ও লবণ – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে কাঁচা টমেটো ভাল করে ধুয়ে গোল গোল করে কেটে নিন। তারপর ফ্রাইপ্যানে সামান্য তেল দিয়ে হালকা ভেজে সিদ্ধ করে নিন। ভাজা হয়ে গেলে অন্য পাত্রে তুলে সেই প্যানে বাদামী রং এ পেঁয়াজ ও মরিচ ভেজে নিন। এরপর মরিচ পেঁয়াজ হাত দিয়ে চটকিয়ে লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা করে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

মাছের ডিমে টমেটো ভাজি

উপকরনঃ কাঁচা টমেটো – ৪ টা, যে কোন মাছের ডিম – ২৫০ গ্রাম (তবে ইলিশ মাছের ডিম হলে বেশি ভাল হয়), কাঁচা মরিচ – ১৫ টি ( গোল করে কাটা ), হলুদের গুড়া – সামান্য, ধনিয়া পাতা – আধা কাপ, লেবু পাতা – ২ টি, লবণ ও তেল - পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে টমেটো ধুয়ে আলু ভাজির মত করে কেটে নিন। তারপর কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে মাছের ডিম গুলো হলুদ , লবণ, মরিচ ও লেবু পাতা দিয়ে ভেজে নিন। ভাজা ভাজা হলে টমেটো ঢেলে নাড়তে থাকুন। টমেটো সিদ্ধ হয়ে এলে ধনিয়া পাতা ছিটিয়ে চুলার আচ কমিয়ে দিন। ৫ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

ইলিশ মাছের গা মাখানো চাসনা

উপকরনঃ ইলিশ মাছ – ৫০০ গ্রাম, পাঁকা টমেটো – ২০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ – ৫ টি, আদা বাটা – ১ চা চামচ, জিরা বাটা – আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া – ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা – আধা কাপ, রসুন বাটা – আধা চা চামচ, লবণ ও সরিষার তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে ইলিশ মাছ ভাল করে কেটে ধুয়ে লবণ ও সামান্য হলুদের গুড়া দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। তারপর টমেটো ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে মাছ গুলো কষিয়ে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। এরপর ঐ কড়াইয়ে উপরের সব মসলা দিয়ে কষিয়ে টমেটো ঢেলে আচ দিন। টমেটো সিদ্ধ হয়ে গেলে চামচ দিয়ে ভাল করে পেস্ট করে পানি ঢে...

পাকা টমেটোর লাল ভর্তা

উপকরনঃ পাকা টমেটো – ৩ টি, শুকনা মরিচ – ২ টি, পেঁয়াজ কুচি – ২ টি, লবণ ও সরিষার তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে পাকা টমেটো ভাল করে ধুয়ে ভাতের মধ্যে দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ও পেঁয়াজ মচমচা করে ভেজে নিন। তারপর ভাতের মধ্যে থেকে টমেটো বের করে মরিচ, পেঁয়াজ, লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে হাতে ভর্তা করে পরিবেশন করুন।

টমেটোর চাসনা

উপকরনঃ পাকা টমেটো – ৩০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি – ১৫ টি, পেঁয়াজ কুচি – ৩ টি, হলুদের গুড়া – আধা চামচ, রসুন কুচি – ১ টি, লবণ – স্বাদমত ও সয়াবিনের তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে টমেটো ভাল করে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে রাখুন। তারপর একটি কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন ও মরিচ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর টমেটো কুচি, হলুদের গুড়া ও লবণ এবং সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে জ্বাল দিতে থাকুন। টমেটো সিদ্ধ হয়ে পানি বের হয়ে এলে চামচ দিয়ে পিষে ভাল করে মিহি করে নিন। টমেটো চাসনা চটচট করে তেল উপরের দিকে উঠে আসলে কড়াই চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। সুস্বাদু ও লোভ...

কাঁচা টমেটো চাঁদা মাছের চচ্চরি

উপকরনঃ কাঁচা টমেটো – ৫০০ গ্রাম, চাঁদা মাছ – ২০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ - ১২ টা, পেঁয়াজ কুচি – ২ টা, রসুন বাটা – আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া – আধা চা চামচ, জিরা বাটা – আধা চা চামচ, ধনিয়া গুড়া – আধা চা চামচ, আদা বাটা – আধা চা চামচ, ধনিয়া পাতা – পরিমান মত, লবণ ও সয়াবিনের তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে টমেটো ভাল করে ধুয়ে চিকন চিকন ফালি করে কেটে নিন। তারপর চাঁদা মাছের কাটা কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে তেলের পরিমান বেশি দিয়ে মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি হালকা বাদামী রং এ ভেজে নিন। এরপর উপরের সব মসলা দিয়ে কিছুক্ষন কষিয়ে...

রোস্ট পটেটো

উপকরনঃ আলু – আধা কেজি, লবণ – ১ চা চামচ, গোলমরিচের গুড়া – ১ চা চামচ, তেল বা ঘি – ৩ ছটাক। প্রনালীঃ প্রথমে নতুন আলুর খোসা ছাড়িয়ে লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। তারপর আলু চারভাগের তিন ভাগ করে নিন। এবার কড়াই তেল বা ঘি দিয়ে মচমচে করে ভেজে গোলমরিচের গুড়া ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

সাদা আলু

উপকরনঃ আলু – আদা কেজি, লবণ – ১ চা চামচ, গোলমরিচের গুড়া – ১ চা চামচ, ধনিয়া পাতা – সামান্য, তেল বা ঘি – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে আলু সিদ্ধ করে টুকরা করে নিন। তারপর লবণ মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে ধনিয়া পাতা দিয়ে সাজিয়ে গোল মরিচের গুড়া ছিটিয়ে ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করুন।

পাকা টমেটো দিয়ে কৈ মাছের ঝল

উপকরনঃ পাকা টমেটো – ৩৫০ গ্রাম, কৈ মাছ –আধা কেজি, কাঁচা মরিচ – ৫ টি, মরিচের গুড়া – ১ চা চামচ, পেয়াজ বাটা – ১ চা চামচ, রসুন বাটা – আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া – আধা চা চামচ, আদা বাটা – ১ চা চামচ, লবণ - পরিমান মত, জিরা বাটা – আধা চা চামচ, ধনে পাতা – সামান্য ও তেল – পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে মাছ ভাল করে কেটে ধুয়ে নিন। এরপর টমেটো ধুয়ে চার ফালি করে কেটে রাখুন। তারপর কড়াইয়ে সব বাটা মসলা দিয়ে মাছ কষিয়ে নিন। কষানো হয়ে গেলে মসলা থেকে মাছ তুলে রাখুন অন্য পাত্রে। এবার ঐ পাত্রে টমেটো দিয়ে কিছুক্ষন কষিয়ে নিন। কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনায় ঢেকে ...

কাঁচা করল্লা ভর্তা

উপকরনঃ করল্লা – ১ টি, লবণ – আধা চা চামচ, পেঁয়াজ – ২ টি, সরিষার তেল – ২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ – ১ টি। প্রনালীঃ প্রথমে করল্লা মিহি কুচি করে লবণ মাখিয়ে কচলে ধুয়ে তিতা বের করে ফেলুন। তারপর পেয়াজ, কাঁচা মরিচ কুচি করে করল্লা তেল দিয়ে মাখিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

শিমের ডাল

উপকরনঃ সিদ্ধ করা শিমের বিচি ৩৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ফালি ৪ টি, রসুন কুচি ৩-৪ কোয়া, পেয়াজ গোল করে কাটা ২ টি, হলুদের গুড়া সামান্য, লবণ, ধনিয়া পাতা কুচি ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ শিমের বিচির উপরের খোসা ছাড়িয়ে লবণ, কাঁচা মরিচ, রসুন কুচি ও সামান্য হলুদের গুড়া দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে ভাল করে পাটায় বেটে ঘন্ট করে বলগ তুলে নিন। তারপর একটি পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে পেয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে বাদামী রঙ এ ভেজে ডাল ঢেলে দিন। এবার আরও একটি পেয়াজ কুচি ও ধনিয়া পাতা কুচি দিয়ে হালকা ঘন করে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। সুস্বাদু ও অন্যস্বাদের এ...

শিম ভাজি

উপকরনঃ শিম ২৫০ গ্রাম, মাঝারী সাইজের আলু ২ টি, হলুদের গুড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৫-৬ টি, গোটা জিরা সামান্য, লবণ ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ শিম ও আলু চারকোনা বা কুচি কুচি করে কেটে ধুয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে চুলায় আঁচ দিতে থাকুন। তেল গরম হলে পেয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে হালকা বাদামী রঙ এ ভেজে নিন। পেয়াজ ও মরিচ বাদামী রঙ এ হয়ে এলে সামান্য গোটা জিরা দিয়ে নেড়ে শিম ঢেলে দিন। এবার চুলার আঁচ সামান্য কমিয়ে পাত্রে মুখে ঢাকনা দিয়ে দিন। প্রায় ৫ মিনিট পর লবণ ও হলুদের গুড়া দিয়ে আরও কয়েকবার নেড়ে দিন। এভাবে ন...

শিম ভর্তা

উপকরনঃ শিম ১৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ৫ টি, পেয়াজ মিহি কুচি ১ টি, লবণ ও সরিষার তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে শিমের দুই মাথা কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর ভাতের ওপর বা এমনেই আলাদা পাত্রে করে শিম ও কাঁচা মরিচ সিদ্ধ করে নিন। শিম সিদ্ধ হয়ে গেলে ঠান্ডা করে লবণ, পেয়াজ, কাঁচা মরিচ ও পরিমান মত সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা করুন। শীতের এই মজাদার সবজির ভর্তা গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

ওলকপি দিয়ে তেলাপিয়া মাছ

গ্রাম ছাড়া শহরের বাজার গুলোতে খুব কমই ওলকপি দেখতে পাওয়া যায়। অনেকে ধারনা ওলকপি খেলেই গলা চুলকায় কিন্তু ভাল শুকনা ওলকপিতে কখনো গলা চুলকায় না। তাছাড়ও ওলকপি রান্নার কিছু পদ্ধতি আছে। ওলকপি তরকারি রান্না করার আগে ২ দিন আগে থেকে অবশ্যই রোদে বা চুলার পাশে রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর রান্নার সময় গরম পানিতে ভাপ দিয়ে নিতে হয় তাহলে গলা চুলাকানোর আর ভয় থাকে না। ওলকপির যে কোন মাছ দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়। তেলাপিয়া মাছের ওল তরকারি অনেক মজাদার একটা খাবার। উপকরনঃ তেলাপিয়া মাছ ১ কেজি, ওলকপি ১ কেজি, লাল মরিচের গুড়া দেড় চা চামচ, হলুদের গুড়া ...

মুরগীর মাংস কষানো রান্না

রিমঝিম বৃষ্টি খিচুরী আর মুরগীর কষানো মাংস আহ! মনে হতেই জিহ্ববায় পানি চলে আসছে। এইরকম দিনে পরিবারে এই লোভনীয় খাবারটি পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ ১ কেজি মুরগীর মাংস, মরিচের গুড়া ২ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, গরম মসলা পরিমান মত, ভাজা গোল মরিচের গুড়া, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেয়াজ বাটা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৩-৪ টা, লবণ ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ মুরগীর মাংস টুকরা করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে চুলায় আঁচ দিতে থাকুন। তারপর উপরের সব উপকরন ও সামান্য পানি দিয়ে প্রায় ৫ মিনিট...

বাঁধা কপি ও মুগের ডালের রান্না

বাঁধা কপি অনেক উপকারি ও সুস্বাদু একটি সবজি। এই সবজি সারা বছর পাওয়া গেলেও মৌসুমী সবজি ছাড়া খেতে ভাল লাগে না। বাঁধা কপি দিয়ে মাংস রান্না থেকে শুরু করে অনেক কিছু রান্না করে খাওয়া যায়। মুগের ডাল দিয়ে বাঁধা কপি রান্না অনেক টেস্টি একটা খাবার। যদি কখনও না খেয়ে থাকেন তাহলে এখনি মজাদার এই খাবারটি পরিবারের সবার জন্য তৈরি করে পরিবেশন করুন। উপকরনঃ ছোট বাঁধা কপি ১ টি, মুগের ডাল ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ফালি ১০ টি, হলুদের গুড়া আধা চা চামচ, পেয়াজ কুচি আধা কাপ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, আদা ও জিরা বাটা আধা চা চামচ, ভাজা জিরার গুরা ১ চা চামচ, লবণ ও সয়াবিনের তেল পর...

পুঁইশাকের পাতা দিয়ে মাশকালাইয়ের ডাল চচ্চরি

পুঁইশাকের পাতা আর মাশকালাইয়ের ডাল খেতে অনেক সুস্বাদু। মাশকালাইয়ের ডাল ও পুঁইশাক দুইটাই ঠান্ডা খাবার। মজাদার এই খাবারটি গরম ভাত- রুটি দিয়ে সকালের নাস্তায় বা দুপুরের খাবারে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ পরিমান মত পুঁইশাকের পাতা, মাশকালাইয়ের ডাল, কাঁচামরিচ ফালি, পেয়াজ কুচি, সামান্য আদা বাটা, গোটা গোটা জিরা, হলুদের গুড়া, লবণ ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে মাশকালাইয়ের ডাল ভাল করে ভেজে ধুয়ে নিন। এবার পরিমান মত কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি, লবণ, হলুদের গুড়া ও সামান্যে পানি দিয়ে ডাল সিদ্ধ দিন। ডাল সিদ্ধ হয়ে এলে পুঁইশাকের পাতা ধুয়ে কুচি করে ক...

পুঁইশাক ভর্তা

পুঁইশাকের ভর্তা অনেক সুস্বাদু ও মজাদার একটা খাবার। সকালে গরম গরম ভাতের সাথে পুষ্টিকর এই খাবারটি খুব অল্প সময়ে পরিবারে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ পরিমান মত পুঁইশাকের পাতা, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি, লবণ ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে পুঁইশাক ভাল করে ধুয়ে নিন। পুঁইশাক ও কাঁচা মরিচ ভাতের ভাপে সিদ্ধ করে নিন। তারপর পেয়াজ কুচি, লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা করে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

পাঙ্গাস মাছের পেঁপের দম

উপকরনঃ পেঁপে আধা কেজি, বড় পাঙ্গাস মাছ আধা কেজি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, পেয়াজ বাটা আধা কাপ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, মরিচের গুড়া ২ চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ আধা চা চামচ, ভাজা জিরার গুড়া ১ চা চামচ, লবন ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে পেঁপে টুকরা করে কেটে গরম পানিতে ভাপ দিয়ে নিন। পাঙ্গাস মাছ ভাল করে ধুয়ে লবন ও সামান্য হলুদের গুড়া দিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। তারপর একটি কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে আচ দিতে থাকুন। তেল গরম হলে পাঙ্গাস মাছ ছেড়ে দিয়ে খুব ভাল করে ভেজে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। ঐ তেলে ভাজা জিরার গুড়...

কাঁচ কলার খোসা ভর্তা

উপকরনঃ ১ টা কাঁচ কলার খোসা, বড় বড় ২ টা রসুন, ১ টা পেয়াজ, কাঁচা মরিচ ৫-৬ টি, চ্যাপা শুটকি ২ টা, লবন ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কাঁচ কলার খোসা ছোট ছোট করে কেটে গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর একটি কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে কাঁচ কলার খোসা, রসুন কুচি, পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ ও শুটকি মাছ একসাথে হালকা ভেজে নিন। এরপর পাটায় মিহি করে বেটে সরিষার তেল মাখিয়ে গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

কাঁচ কলা দিয়ে রুই মাছের মাথা

কাঁচ কলা অনেক উপকারী ও সুস্বাদু একটা খাবার। কাঁচ কলার তরকারী অনেকে পছন্দ করে আবার অনেক অপছন্দ করে থেকে। আমরা বাজার থেকে বড় রুই মাছ কিনলে মাথা দিয়ে বেশির ভাগ মুড়ি ঘন্ট বা যে কোন তরকারির মধ্যে দিয়ে চচ্চরি করে খায়। কিন্তু কাঁচ কলার অন্য রকম স্বাদের তরকারি দিয়ে কখনো রান্না করে খেয়ে দেখেছেন? যদি না খেয়ে থাকেন তাহলে এখনই এই আইটেমটি ঝটপট তৈরি করুন পরিবারের সবার জন্য। উপকরনঃ কাঁচ কলা ৪ টি, বড় রুই মাছে মাথা ১ টি, আদা বাটা ও জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেয়াজ বাটা আধা কাপ, রসুন বাটা ১ আধা চামচ, পেয়াজ কুচি ২ টি, মরিচের গুড়া দেড় চা চামচ, হলুদের গুড়...

খানমান কচুর শাক ভর্তা

খানমান কচুর শাক দেখতে অনেকটা করল্লার পাতার মত। কিন্তু করল্লা গাছের পাতার চেয়ে খানমান কচুর পাতা সাইজে অনেক বড় হয়। এই শাকে গলা চুলকানোর সম্ভবনা থাকে প্রায় ২০% তারপরও এই শাকের ভর্তা বাঙ্গালীদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। খানমান শাকের ভর্তা এতটাই সুস্বাদু যে খানমানের কথা শুনলেই অনেকের মুখে পানি চলে আসে। এই ভর্তাটি পরিবেশন করার সময় অবশ্যই লেবু বা তেতুল দিয়ে পরিবেশন করবেন। উপকরনঃ পরিমান মত খানমান কচুর শাক, রসুন কুচি একটু বেশি, পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ, সয়াবিনের তেল ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ খানমান কচুর শাক ভাল করে ধুয়ে কুচি করে কেটে সিদ্ধ করে পানি ঝর...

দস্তাল কচুর ডগা ও পুটি মাছের চচ্চরি

এই কচু যে ভাবে খুশি যে কোন মাছ দিয়ে রান্না করে খেতে পারেন। কারন এই কচুতে গলা চুলকায় না। দস্তাল কচুর ডগা ও পুটি মাছের তরকারীর স্বাদ সম্পূর্ন আলাদা। নতুন স্বাদে নতুন কিছু খেতে চাইলে দস্তাল কচু সংগ্রহ করে এখনি ঝটপট রান্না করে পরিবেশন করুন। উপকরনঃ দস্তাল কচুর ডগা ৫-৬ টি, পুটি মাছ ২৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ফালি ১০-১২ টি, পেয়াজ কুচি আধা কাপ, রসুন বাটা ১ চা চাপচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, ভাজা জিরার গুড়া ১ চা চামচ, লবণ ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে দস্তালের ডগা ছুলে টুকরা টুকরা করে কেটে ধুয়ে ...

দস্তাল কচুর শাক ভর্তা

দস্তাল কচুর শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু একটি খাবার। অনেক পুষ্টিকর ও লোভনীয় এই খাবারটি। তবে গ্রামে ছাড়া শহরে খুব কমই দেখা যায় দস্তাল কচুর শাক। আপনি অল্প সময়ে খুব সহজেই এই আইটেমটি তৈরি করে পরিবারে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ পরিমান মত দস্তাল কচুর শাক, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি, লবণ ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে দস্তাল কচুর শাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে ভাতের উপর দিয়ে বা যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। সঙ্গে কাঁচা মরিচও সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে ...

মান কচু দিয়ে ইলিশ মাছ রান্না

মান কচুর সাথে ইলিশ মাছের তরকারি অনেক সুস্বাদু খাবার। এই সব সবজি হাতের নাগালে খুব কমই পাওয়া যায়। তবে যখনি পাবেন ঠিক তখনই এই মজাদার খাবারটি খেয়ে দেখবেন। উপকরনঃ বড় মান কচু্র অর্ধেক, ইলিশ মাছ আধা কেজি, আদা বাটা ১ আধা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, পেয়াজ বাটা ১ কাপ, লাল মরিচের গুড়া ২ চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, লবন ও পরিমান মত সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে মান কচু বড় টুকরা করে কেটে ভাপ দিয়ে নিন। তারপর মাছে টুকরা গুলো ধুয়ে সামান্য লবন, সয়াবিনে তেল ও হলুদের গুড়া দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার পাত্রে পরিমান মত তেল ও উপরের উপকরন দিয়ে মসলা...

মান কচুর ভর্তা

মানকচুর পাতার জন্য অনেক জনপ্রিয়। বৃষ্টির দিনে ছোট বেলায় মান কচুর পাতা ও কলা পাতার ছাতা বানিয়ে মাথায় নিয়ে হাটতাম রাস্তা দিয়ে। খেলনা বাড়ি ঘরও বানাতাম মান কচুর পাতা দিয়ে। কিন্তু মান কচু খাওয়া গেলেও পাতা কখনও খাওয়া যায় না। মান কচুর ভর্তা ও তরকারি অনেক মজাদার ও লোভনীয় একটা খাবার। উপকরনঃ পরিমান মত মান কচু, পেয়াজ কুচি, লাল মরিচ, লবন ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ মান কচু ভর্তা বা রান্না করার আগে ২-৩ দিন রোদে শুকিয়ে নিন। কারন অনেক মান কচু আছে গলা চুলকায় রোদে শুকিয়ে নিলে আর গলা চুলকায় না। মান কচুর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরা করে ধুয়ে ভাতে...

শুলা কচুর চচ্চরি

শুলা কচু কে অনেকে মৌলভীকচুও বলে। লম্বা লম্বা মোটা ও ভিতরে কচুটা শুলার মত মনে হয় বলে তাকে শুলা কচু বলে। এই কচুর ভর্তা, ভাজি, নিরামিষ ও যে কোন মাছ দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়। শুলা কচু একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার। পুকুরের মায়া মাছের সাথে শুলা কচুর চচ্চরি অন্যরকম একটা স্বাদের খাবার। উপকরনঃ বড় শুলা কচু অর্ধেক, মায়া মাছ ১ পোয়া, জিরা বাটা আধা চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, পেয়াজ বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ১০-১২ টি, পাঁচ ফড়ং বাটা আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, ভাজা জিরার গুড়া ১ চা চামচ, লবণ ও সরিষার তেল পরিমা...

কচুর লতী ও চিংড়ি মাছ চচ্চরি

কচুর লতী গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষের কাছে বেশি প্রিয় খাবার। কচুর লতী অনেক আইটেমে রান্না করে খাওয়া যায়। চিংড়ি মাছের সাথে কচুর লতী চচ্চরি অনেক সুস্বাদু ও লোভনীয় একটি খাবার। উপকরনঃ কচুর লতী আধা কেজি, চিংড়ি মাছ ২৫০ গ্রাম, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ১০-১৫ টি, পেয়াজ বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ভাজা জিরার গুড়া, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, লবণ ও পরিমান মত সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কচুর লতী বেছে ছোট ছোট টুকরা করে ধুয়ে নিন। চিংড়ি মাছ পরিষ্কার করে কেটে বেছে ধুয়ে অন্য পাত্রে রাখুন। এবার কড়াইয়ের...

মাছের মাথা দিয়ে কচুর মুখী ঘন্ট

কচুর মুখী খুব সহজে অল্প সময়ে ঘন্ট করা যায়। কচুর মুখী ঘন্ট যে কোন বড় মাছে মাথা ও লেজ দিয়ে রান্না করা যায়। আবার মাছের মাথা ছাড়াও রান্না করা যায়। কচুর মুখী ঘন্ট সম্পূর্ন অন্য রকম স্বাদের মজাদার একটা খাবার। উপকরনঃ কচুর মুখী আধা কেজি, বড় মাছে মাথা ১টি, পেয়াজ কুচি আধা কাপ, রসুন কুচি ১ টি, কাঁচা মরিচের ফালি ১০ টি, তেজপাতা ২ টি, ভাজা জিরার গুড়া ২ চা চামচ, লবন ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ পাত্রে পরিমান মত পানি ও কচুর মুখী দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তারপর খোসা ছাড়িয়ে কচু ভর্তা মত...

কচুর মুখী ভর্তা

কচুর কথা শুনলেই অনেকের গা চুলকায়। বিশেষ করে যাদের চুলকানী ও এলার্জির সমস্যা আছে। কচু অনেক সুস্বাদু ও মজাদার একটি খাবার। কচুর মুখী ভর্তা প্রায় মানুষেরই প্রিয় একটি খাবার। লাল মরিচের কচুর মুখী ভর্তা গরম গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক মজা। উপকরনঃ কচুর মুখী ২৫০ গ্রাম, লাল মরিচ ৩-৪ টি, পেয়াজ কুচি ২টি, লবণ ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কচুর মুখী সামান্য পানি ও লবন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ করা কচুর মুখী ঠান্ডা করে খোসা ছাড়িয়ে অন্য পাত্রে রাখুন। এবার সামান্য তেলে লাল মরিচ গুলো ভেজে নিন। অন্য পাত্রে লাল মরিচ সামান্য লবণ ও পেয়াজ কুচি দিয়ে চেট...

মটরশুটির ভর্তা

মটরশুটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি খাবার। মটরশুটির ডাল থেকে শুরু করে অনেক আইটেমে রান্না করে খাওয়া যায়। গরম ভাতের সাথে মটরশুটির ভর্তা অনেক মজাদার। উপকরনঃ মটরশুটি সিদ্ধ ১ কাপ, পেয়াজ কুচি ২ টি, রসুন কুচি ১টি, কাঁচা মরিচ ৭ টি, যে কোন বড় মাছের টুকরা ১ টি, লবণ, সয়াবিনের তেল ও সামান্য সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে মটরশুটি ভাল করে ধুয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার কড়াইয়ে সামান্য সয়াবিনের তেলে লবন ও হলুদ মাখিয়ে মাছের টুকরা টি ভেঁজে নিন। ঐ তেলে সিদ্ধ করা মটরশুটি, পেয়াজ কুচি, রসুন কুচি ও কাঁচা মরিচ হালকা ভেজে নিন। তারপর ভাজা মাছের কাটা বেছে মটরশুটিসহ...

চিংড়ি শুটকি দিয়ে বেগুন ও আলু চচ্চড়ি

উপকরণ: চিংড়ি শুটকি ৭০ গ্রাম, বেগুন ৩০০ গ্রাম, বড় আলু ২ টা, পিঁয়াজ কুচি ৫টি, রসুন কুচি ২ টি, হলুদ গুড়া ১/৩ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৮ টি, লবণ ও তেল পরিমাণ মত। পদ্ধতি: প্রথমেই চিংড়ি শুটকি ফুটন্ত গরম পানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। এরপর লবণ, তেল, মরিচ, হলুদ, পিঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, কাঁচা মরিচ ও চিংড়ি শুটকি একসাথে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার তাতে কাটা আলু ও বেগুন দিন। অল্প পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। পানি কমে চচ্চড়ি হয়ে এলে নামিয়ে নিন।

পাঙ্গাস মাছের ঝোল

উপকরণ: পাঙ্গাস মাছ ১০ টুকরা, পিঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১/২ চা চামচ, আদা বাটা – ১/৩ চা চামচ, জিরা বাটা ১/৩ চা চামচ, হলুদ গুড়া ১/৩ চা চামচ, মরিচ গুড়া ২/৩ চা চামচ লবণ ও তেল পরিমাণ মত। পদ্ধতি: প্রথমে কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে সব মশলা দিয়ে ভালো ভাবে কষিয়ে নিন। এবার কষানো মসলায় আগে থেকে পরিষ্কার করে রাখা মাছের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। ভালোভাবে মাছ মসলায় কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। কিছুক্ষণ পর ঝোল দেখে নামিয়ে নিন।

টাকি মাছের আলুর দম

উপকরনঃ বড় টাকি মাছ ৩ টি, আলু সিদ্ধ ৫-৬ টি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেয়াজ বাটা ২ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া আধা চা চামচ, ভাজা জিরার গুড়া ১ চা চামচ, দারচিনি ২-৩ তুকরা, তেজপাতা ২ টা, লাল মরিচের গুড়া আধা চা চামচ, কাচা মরিচ ফালি ৫ টি, লবণ ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে বড় বড় টাকি মাছের চামড়া ছুলে টুকরা করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর লবণ, হলুদের গুড়া ও সামান্যে তেল দিয়ে কষিয়ে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। এবার কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে সিদ্ধ করা আলুর মাঝখান থেকে টুকরা করে বাদা...

চিংড়ি মাছ ও বাঁধা কপি ভাজি

উপকরণ: বড় চিংড়ি - ১০ টি, বাঁধা কপি কুচি - ৪০০ গ্রাম, পিঁয়াজ কুচি - ৩ টা, কাঁচা মরিচ – ৫ টা, হলুদ সামান্য, লবণ ও তেল পরিমাণ মত। পদ্ধতি: আগে থেকে পরিষ্কার করে রাখা চিংড়ি সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে প্রথমেই তেলে ভেজে নিন। এবার ভাজা চিংড়িতে বাঁধাকপি কুচি, পিঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ ও পরিমাণ মত লবণ দিয়ে নেড়ে-চেড়ে ঢেকে দিন। একটু পরপর নেড়ে দিন। ভাজি ভাজি হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

চিংড়ি মাছ ও মুলা শাক ভাজি

উপকরণ: ছোট চিংড়ি -২৫০ গ্রাম, মুলা শাক – ১ কেজি, পিঁয়াজ কুচি – ৫ টা, রসুন কুচি-২ টা, কাঁচা মরিচ -১০ টা, লবণ ও তেল পরিমাণ মত। পদ্ধতি: প্রথমেই কড়াইয়ে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে তাতে সামান্য লবণ দিয়ে চিংড়ি ভেজে নিন। ভাজা চিংড়িতে পিঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভেজে নিন। এবার তাতে আগে থেকে ভাপ দিয়া রাখা শাক ও পরিমাণ মত লবণ দিন। ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

মাশকালাইয়ের ডাল

মাশকালাইয়ের ডাল রান্না খুব সহজ ও উপকরনও কম লাগে। ছোট বেলায় আমরা দেখেছি আমার দাদি ও আম্মা যখন মাশকালাইয়ের ডাল রান্না করত তখন আমরা হাফ মাইল দূর থেকে গন্ধ পেতাম যে আজকে ডাল রান্না হচ্ছে। ঐ দেশি মাশকালাইয়ের স্বাদ ও গন্ধ আর নাই। তারপরও অনান্য ডালের চেয়ে মাশকালাইয়ের ডাল অনেক সুস্বাদু ও মজাদার। এটি স্বাস্থ্যর জন্য অনেক উপকারী। গরমের দিন এই ডাল খেলে শরীর ঠান্ডা রাখে ও গ্যাস্টিকও হয় না। উপকরনঃ মাশকালাইয়ের ডাল আধা কেজি, কাঁচা মরিচ ফালি ৫ টি, হলুদের গুড়া ১ চা-চামচ, দেশি পেয়াজ গোল গোল কুচি ৪টি, লবণ, ধনিয়া পাতা কুচি ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। ...

পুঁইশাক দিয়ে নলা মাছ

উপকরনঃ মোটা মোটা নরম ডাটাসহ পুঁই শাক আধা কেজি, নলা মাছ আধা কেজি, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেয়াজ বাটা ১ কাপ, পেয়াজ কুচি ২ টি, জিরা বাটা ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬ টি, লাল মরিচের গুড়া ১ চা চামচ, হলুদের গুড়া ১ চা চামচ, ধনিয়া পাতা কুচি, লবণ ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে মোটা মোটা নরম ডাটাসহ পুঁইশাক টুকরা করে কেটে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। এরপর মাছ ভাল করে কেটে ধুয়ে উপরের বাটা মসলা থেকে সামান্য পরিমান মসলা ও তেল দিয়ে মাছ কষিয়ে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। কড়াইয়ে পরিমান মত তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি বাদামী রঙ এ ভাজুন। ভাজা পিয়াজ...

মাশকালাইয়ের ডাল দিয়ে পালং শাক চচ্চরি

পালং শাক যেমন গুনে গুনে ভরপুর। তেমন অনেক সুস্বাদু ও মজাদার একটি খাবার। পালং শাক দিয়ে মাশকালাইয়ের ডাল চচ্চরি অন্য রকম একটা স্বাদের খাবার। সময় বাচিয়ে মজাদার এই খাবারটি পরিবারে পরিবাশন করতে পারেন। উপকরনঃ পালং শাক, মাশকালাইয়ের ডাল, ৩-৪ টি রসুনের কোয়া, কাঁচা মরিচ ফালি, পেয়াজ কুচি, গোটা গোটা জিরা, লবণ, সামান্য হলুদের গুড়া ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ মাশকালাইয়ের ডাল ভাল করে ভেজে নিন। পালং শাক ভাল করে ধুয়ে করে কেটে রাখুন। তারপর হাড়িতে ভাজা মাশকালাইয়ের ডাল, কাচা মরিচ, রসুন ও পেয়াজ কুচি, লবণ, এবং সামান্য হলুদের গুড়া দিয়ে সিদ্ধ করুন। ড...

কচুর শাক ঘন্ট

কচুর শাক অনেক উপকারি একটা খাবার। কচুর শাক ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে ঘন্ট করলে বেশি টেস্ট লাগে। কচুর শাক গরম গরম উপকরনঃ কচুর শাক, ইলিশ মাছের মাথা, কাঁচা মরিচ, লবণ, পেয়াজ কুচি, রসুন কুচি ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে ইলিশ মাছের মাথা ভাল করে ধুয়ে হলুদ, লবণ ও সামান্যে সয়াবিনের তেল দিয়ে কষিয়ে নিন। কচুর শাক ভাল করে ধুয়ে কষানো ইলিশ মাছ ও পরিমান মত পেয়াজ কুচি, রসুন কুচি, লবণ, কাঁচা মরিচ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে মিহি করে ঘন্ট করুন। এবার প্যানে পরিমান মত তেল দিয়ে পেয়াজ ও রসুন কুচি বাদামী রঙ এ ভেজে ঘন্ট করা শাক তার ...

কাঁঠালের বিচি ভর্তা

উপকরনঃ কাঁঠালের বিচি, পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ, রসুনের কোয়া ২-৩ টি, লবণ, ধনিয়ে পাতা কুচি ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ কাঁঠালের বিচির উপরের খোসা ছাড়িয়ে সিদ্ধ করে নিন। কাঁচা মরিচ ও রসুনের কোয়া কাঠ খোলায় ভেজে নিন। তারপর কাঁঠালের বিচি, কাঁচা মরিচ ও রসুনের কোয়া একসাথে মিহি করে বেটে নিন। এবার ধনিয়া পাতা কুচি, লবণ ও পরিমান মত সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন।

শিমের বিচি ভর্তা

উপকরনঃ শিমের বিচি পরিমান মত, পেয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে শিমের বিচি সিদ্ধ করে উপরের খোসা ফেলে দিন। কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে খোসা ছাড়ানো শিমের বিচি, পেয়াজ ও কাঁচা মরিচ হালকা ভেজে নিন। সবগুলো এক সাথে মিহি করে পাটায় বাটুন। এবার পরিমান মত লবণ ও সরিষার তেল মাখিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

লাউ ভাজি

অল্প সময়ের সুস্বাদু ও মজাদার আইটেম লাউ ভাজি যা রুটির সাথে সকালে নাস্তায় পরিবেশন করতে পারেন। আপনার রান্নার আইটেমে যদি লাউ সবজিটি রাখতে চান তাহলে ঝটপট লাউ ভাজি করে ফেলুন। উপকরনঃ লাউ কুচি করে কাটা, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি, হলুদের গুড়া, লবণ, গোটা জিরা ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ প্রথমে লাউ এর খোসা ছুলে ভাল করে ধুয়ে নিন। ধোয়া লাউ ভাজি কাটা মেশিন দিয়ে কেটে অন্য পাত্রে রাখুন। এবার কড়াইয়ে পরিমান তেলে কাঁচা মরিচ ও পেয়াজ কুচি হালকা ভেজে গোটা জিরা ছিটিয়ে দিয়ে তার মধ্যে লাউ কুচি ঢেলে নাড়তে থাকুন। ২ মিনিট পর পরিমান মত হলুদের গুড়া ও লবণ দিয...

সজনে ডাটা আর লাউ নিরামিষ

মাছ, মাংসের পাশাপাশি প্রতিদিন নিরামিষ আইটেমটি আপনার পরিবারে রাখতে পারেন। নিরামিষ শরীরের জন্য অনেক উপকারী। উপকরনঃ কচি লাউ, সজনে ডাটা পরিমান মত, সরিষা বাটা, আদা বাটা, জিরা বাটা, রসুন বাটা, রসুন কুচি, পেয়াজ বাটা, পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ বাটা, হলুদের গুড়া, ধনিয়া পাতা কুচি, লবণ ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে লাউ, সজনে ডাটা ও আলু কেটে ভাল করে ধুয়ে রাখুন। তারপর কড়াইয়ে পরিমান মত তেলে পেয়াজ ও রসুন কুচি দিয়ে লালচে রঙ এ ভাজতে থাকুন। এবার উপরের মসলা গুলো পরিমান মত দিয়ে কষাতে থাকুন প্রায় ২ মিনিট। ২ মিনিট পর লাউ, সজনে ও আলু মসলার মধ্যে দিয়ে ...

লাউয়ের সাথে টাকি মাছের ঝোল

লাউ দিয়ে টাকি মাছ অনেক মজাদার একটা খাবার। গ্রাম অঞ্চলের মানুষের কাছে এই খাবারটি অনেক প্রিয়। উপকরনঃ লাউ, টাকি মাছ, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেয়াজ কুচি, পেয়াজ বাটা, জিরা বাটা, ভাজা জিরার গুড়া, লবণ, মরিচের গুড়া, কাঁচা মরিচ হালকা ফালি করা, হলুদের গুড়া ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ টাকি মাছ ভাল কেটে ভাল করে ধুয়ে লবণ, হলুদ ও তেল দিয়ে হালকা কষিয়ে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। লাউ লম্বা ও ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ধুয়ে রাখুন। এবার হাঁড়িতে পরিমান মত তেল দিয়ে উপরের মসলাগুলো কষিয়ে নিন। কষানো মসলা থেকে তেল উপরের দিকে উঠে আসলে টুকরা করা লাউ দিয়ে নেড়ে ঢে...

লাউ পাতা দিয়ে চ্যাপা শুটকি ভর্তা

শুটকি মাছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন থাকে যা তাজা মাছের চেয়ে দ্বিগুন। শুটকি মাছের মধ্যে চ্যাপা শুটকি অনেক টেস্টি ও মজাদার হয়। অনেকের কাছে শুটকি মাছ এতটাই প্রিয় যে শুটকি মাছের ভর্তা ও গরম ভাত হলে তার আর কিছুই লাগে না। লাউ পাতা ও চ্যাপা শুটকি যদি একসাথে ভর্তা করা হয় তাহলে স্বাদটা আরও বেশি বেড়ে যায়। উপকরনঃ লাউ পাতা ৪ টা, ৫০ গ্রাম চ্যাপা শুটকি, ১০ টা কাঁচা মরিচ, দেশি পেয়াজ ২টি, দেশি বড় রসুন ২ টি, সামান্য লবন, ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ প্রথমে গরম পানি দিয়ে ভাল করে শুটকি মাছ ও লাউ পাতা ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। লাউ পাতাগুলো কুচি ক...

লাউ শাক ডগাসহ ভাজী

লাউ শাক সব মৌসুমে পাওয়া যায়। লাউ শাক শরীর ঠান্ডা রাখে। লাউ শাকের কচি ডগাসহ ভাজি অনেক সুস্বাদু ও মজাদার। উপকরনঃ লাউ শাক, আলু ১-২ টি, কাঁচা মরিচ, রসুন কুচি (পরিমান টা একটু বেশি হতে হবে), পেয়াজ কুচি, লবণ, পাঁচ ফড়ং ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ লাউশাক ও কচি ডগাসহ কুচি করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। ১-২ টা আলু টুকরা করে কেটে ধুয়ে লাউ শাকের মধ্যে দিন এবং লবণ, কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি ও রসুন কুচি দিয়ে চুলায় সিদ্ধ করতে দিন। শাকের পানি শুকিয়ে গেলে ও সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। এবার অন্য একটি পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি ও র...

কচুর মুখী দিয়ে ইলিশ মাছ রান্না

ইলিশ মাছ মাছের মধ্যে সেরা মাছ। ইলিশ মাছের স্বাদ ও ঘ্রাণ সব মাছের চেয়ে আলাদা। এই মাছ দিয়ে যে কোন সবজি রান্না করে খাওয়া যায়। ইলিশ মাছ দিয়ে কচুর মুখী অনেক মজাদার একটা খাবার। বাজার থেকে ইলিশ কিনে বাসায় এসে নিশ্চই চিন্তা করছেন যে কি দিয়ে রান্না করবেন। সমস্ত চিন্তা ঝেরে ফেলে এখনি হাতের কাছে থাকা কচুর মুখী দিয়ে শুরু করুন ইলিশ মাছ রান্না। উপকরনঃ ১ কেজি ইলিশ মাছ একটি, আধা কেজি কচুর মুখী, আদা বাটা ১চা- চামচ, পেয়াজ বাটা ছোট কাপের ১ কাপ, জিরা বাটা ১চা- চামচ, ভাজা জিরার গুড়া ১ চা- চামচ, দেশি পেয়াজ কুচি ২টি, কাঁচা মরিচের ৩-৪ টি, হলুদের গুড়া ১ চা...

গরুর মাংস দিয়ে কাঁচা কাঁঠাল

বৃষ্টির দিনে গরুর মাংস ভুনা আর খিচুরী সবার কাছেই অনেক প্রিয় খাবার। গরুর মাংস কাবাব থেকে শুরু করে অনেক ভাবে রান্না করে সব সময় খাওয়া যায়। কিন্তু গরুর মাংস আর কাঁচা কাঁঠাল রান্না শুধু কাঁঠালের মৌসুমে খাওয়া হয়। তাই যখনই হাতের কাছে কাঁচা কাঁঠাল পাবেন ঠিক তখনই এই রেসিপিটি হাতে নিবেন পরিবারের সবার জন্য। উপকরনঃ ছোট কাঁচা কাঁঠাল অর্ধেক বিচিসহ, ১ কেজি গরুর মাংস, আদা বাটা ১ চা-চামচ, পেয়াজ বাটা আধা কাপ, পেয়াজ কুচি ২টি, রসুনে কোয়া ৫ টি, রসুন বাটা ২ চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, গরুর মাংসের মসলা পরিমান মত, গোটা গোটা দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ ৩-৪ টা করে, ত...

রুই মাছের সাথে ঝিঙ্গা

বড় তাজা রুই মাছ খেতে অনেক সুস্বাদু। রুই মাছ যে কোন সবজি দিয়ে রান্না করে খাওয়া যায়। সুস্বাদু মাছ যদি সুস্বাদু সবজি দিয়ে রান্না করা যায় তাহলে স্বাদ টা কিন্তু আরও দ্বিগুন বেড়ে যায়। উপকরনঃ পরিমান মত রুই মাছ, কচি ঝিঙ্গা, আদা বাটা, জিরা বাটা, রসুন বাটা, হলুদের গুড়া, মরিচের গুড়া, পেয়াজ বাটা, ভাজা জিরার গুড়া, লবণ ও পরিমান মত সয়াবিন তেল। প্রনালীঃ প্রথমে রুই মাছ ভাল করে ধুয়ে গরম তেলে ভেজে মচমচা করে ভেজে নিন। এবার অন্য আরেকটি প্যানে পরিমান মত তেল দিয়ে রসুন বাটা, আদা বাটা, জিরা বাটা, লবণ ও পেয়াজ বাটা দিয়ে ১ মিনিটের মত মসলা কষিয়ে নিন। ...

করল্লা ভাজি

গরমের দিনে সবজির মধ্যে করল্লা শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটা সবজি। করল্লা ভাজি আর মসুরের ডাল অনেকের কাছে প্রিয়। করল্লার রস ডায়বেটিস রোগীর জন্য খুবই উপকারী। একজন ব্যাক্তি যদি প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পেটে করল্লার রস আধা কাপ করে খায় তাহলে সেই ব্যাক্তি গ্যাসট্রিক ও ডায়বেটিস সহ আরও অনেক রোগ বালাই ৮০% দূরীভূত হয়। উপকরনঃ করল্লা ১ পোয়া, ৫ টা দেশি পেয়াজ, ২-৩ কাচা মরিচ ফালি, আলু চার কোনা করে কাটা ১টি, লবণ ১ চা চামচ, হলুদের গুড়া আধা চা চামচ ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে বড় করল্লা গুলো মাঝখান থেকে ফেড়ে কুচি করে কাটুন। দেশি ১ টা...

কৈ মাছের দোপেঁয়াজি

কৈ মাছ ভাজি, কৈ মাছের তরকারি সবার কাছেই সুস্বাদু একটা খাবার। বেগুন, আলু, শালগম সবজি দিয়েও কৈ মাছ রান্না খেতে খুব ভাল লাগে। উপকরনঃ কৈ মাছ ৫-৬ টি, আদা বাটা ১চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, পেয়াজ বাটা ১ কাপ, ২-৩ টি পেয়াজ কুচি , হলুদের গুড়া ১চা চামচ , মরিচের গুড়া ১-১/২ চা চমচ, সায়াবিন তেল ও লবন পরিমান মত, কাচা মরিচ ফালি ৫-৬ টি ও পরিমান মত ধনিয়া পাতা কুচি। প্রনালীঃ প্রথমে কৈ মাছ গুলো ভাল করে কেটে ধুয়ে নিন। তারপর ৫-১০ মিনিট লবন, হলুদ ও সামান্য বাটা মসলা দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। এবার চুলায় একটি পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে আঁচ দিতে থাকুন। তেল গ...

কবুতরের মাংস

কচি কবুতরের মাংস খেতে অনেক মজাদার ও সুস্বাদু। কবুতরের মাংস শরীরের জন্য অনেক পুষ্টিকর। উপকরনঃ কবুতরের মাংস, আলু, গরম মসলা, আদা বাটা, জিরা বাটা, পেয়াজ কুচি, রসুন বাটা, গোটা কোয়া ছড়ানো রসুন, সাদা গোল মরিচের গুড়া, মরিচের গুড়া, কাচা মরিচ, হলুদের গুড়া, লবন, ভাজা জিরা গুড়া, ধনিয়া গুড়া ও তেল। প্রনালীঃ প্রথমে কবুতরের মাংস ও আলু ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর কড়াইয়ে পরিমান মত সয়াবিনের তেল দিয়ে আলু টুকরা গুলো হালকা বাদামী করে ভেজে নিন। ভাজা আলু গুলো অন্য পাত্রে উঠিয়ে ঐ তেলে মধ্যে পেয়াজ কুচি, রসুনে ৫-৬ টা কোয়া ও গরম মসলা...

বাচ্চাদের সুজি রান্না

আপনার বাচ্চাটি বুকের দুধ খাচ্ছে না? গরুর দুধও খাচ্ছে না? তাহলে আপনি আর কি খাওয়াতে পারেন এটা নিয়ে খুব টেনশন এ আছেন, তাইতো? আপনি নিজেকে দিয়েই দেখেন প্রতিদিন কিন্তু আপনার একই রকমের খাবার খেতে ইচ্ছা করবে না। আর প্রতিদিন একই রকমের খাবার খেলে সেই খাবারের প্রতি ছোট-বড় সবারই অরুচি আসে। আপনি ইচ্ছা করলে বুকের দুধের পাশাপাশি আপনের বাচ্চাকে প্রতি সপ্তাহে ২-৩ দিন সুজি রান্না করে খাওয়াতে পারেন। উপকরনঃ গরুর দুধ, চিনি, সুজি ও লবন। প্রনালীঃ প্রথমে পাত্রে পরিমান মত গরুর দুধ দিয়ে তার মধ্যে চিনি, সামান্য লবন ও সুজি দিয়ে চুলার আঁচ দিতে থাকুন। দুধ ২-৩ ব...

পটলের খোসা ভর্তা

অনেকের কাছে ভর্তা ভাত খুব প্রিয় খাবার। কর্মজীবনে নারীরা অনেক সময় ঝটপট রান্নার ভিন্ন আইটেম খুজে। আপনিও এই মজাদার ও লোভনীয় আইটেম টি বেছে নিতে পারেন। গরম গরম ভাত, খিচুরী ও নান-রুটির সাথে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ ৪ টা পটলের খোসা, ১টা শসার খোসা, ছোট ১টা আলু কুচি, ২টা দেশি পেয়াজ, ২টা বড় দেশি রসুন, কাঁচামরিচ ৬ টি, লবন ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ পটলের খোসা, শসার খোসা, আলু কুচি ভাল করে ধুয়ে পেয়াজ, রসুন, কাচা মরিচ ও লবন এবং সামান্য তেল দিয়ে হালকা ভেজে নিন। সিদ্ধ ও ভাজা ভাজা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে সব কিছু এক সাথে পাটায় বেটে ...

টকভাত রান্না

গরমের দিনে গ্রামের প্রায় পরিবার পান্তা ভাত, কাচা মরিচ ও পেয়াজ দিয়ে সকালের নাস্তা করে থাকে। কিন্তু প্রতিদিন আপনারা একই রকমের আইটেমে না খেয়ে ভিন্ন ধরনের আইটেমে এই পান্তা ভাত খেতে পারেন। বিশেষ করে পাবনা জেলার কিছু কিছু অঞ্চলের মানুষ এই পান্তা ভাতকে টকভাত হিসেবে রান্না করে খায়। টক ভাত খেতে আম দিয়ে রান্না করা নরম খিচুরীর মত লাগে। আপনিও ইচ্ছা করলে ভাত নষ্ট না করে টকভাত রান্না করে পরিবারে পরিবেশন করতে পারেন। উপকরনঃ পান্তা ভাত, মসুরে ডাল, লবন, কাচা মরিচ ফালি, পেয়াজ কুচি, রসুন, জিরা ও আদা বাটা, রসুন কুচি, ধনে গুড়া, গরম মসলা, হলুদের গুড়া, আল...

মসুরের ডাল রান্না

মসুরের ডাল আমাদের সবারই কম বেশি প্রিয় খাবার। মসুরের ডাল অনেক টেস্টি ও পুষ্টিকর একটা খাবার। ডাল রান্না করতে পারে না এমন কোন গৃহিনী এই বাংলাদেশে নাই। উপকরনঃ মসুরের ডাল আধা পোয়া, বড় রসুন কুচি ১টি, পেয়াজ গোল কুচি ৩ টি, কাচা মরিচ ফালি ৩টি , হলুদের গুড়া আধা চা চামচ, ধনিয়া পাতা, লবন ও তেল পরিমান মত এবং জিরাসহ পাঁচফড়ং। প্রনালীঃ প্রথমে মসুরের ডাল পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন। ডাল ধুয়ে পাত্রে পরিমান মত পানি, ৩-৪ কোয়া রসুন কুচি, ১টি পেয়াজ কুচি ও ৩ টা কাচা মরিচ ফালি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। ডাল সিদ্ধ হয়ে আধা চা-চামচ হলুদের গুড়া ও ...

পুঁই ডিম ভাজি

পুঁইশাকের ভাজি থেকে শুরু করে নিরামিষ ও মাছ রানা সব কিছুই খেতে অনেক মজা লাগে। পুঁইশাক দিয়ে ডিম ভাজি অনেক টেস্টি একটি খাবার। প্রতিদিন নরমাল ডিম ভাজি না করে মাঝে মাঝে আপনার রেসিপি যদি একটু ভিন্ন ভাবে পরিবারে পরিবেশন করেন তাহলে আপনার আইটেম টি খেতেও ভাল লাগবে আবার রুচিরও পরিবর্তন আসবে। উপকরনঃ পুঁই শাক, মুরগীর ডিম ১/২ টি, লবন, কাঁচা মরিচ কুচি, পেয়াজ কুচি, হলুদের গুড়া, ধনিয়া পাতা ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ পুঁইশাকে পাতা গুলো ভাল করে ধুয়ে কুচি কুচি করে কাটুন। তারপর কড়াইতে পরিমান মত তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিয়ে বাদামী রঙ এ ভেজে সামান্য...

কচুর লতির কোরমা

স্বাদে মজাদার একটা অসাধারণ খাবার সহজ প্রস্তুত প্রণালী যা পরিবারের সবাই পচ্ছন্দ করবে। উপকরণ: কচুর লতি, নারিকেলের দুধ, গোল মরিচ, কাচা মরিচ, জিরা বাটা, হলুদ, লবণ, তেল, আদা বাটা, পেয়াজ , রসুন বাটা, ভাজা জিরা গুড়া। প্রণালী: প্রথমে কচুর লতিকে ছোট ছোট করে কেটে ভাল করে ধুয়ে সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। তারপর রান্নার পাত্রটি চুলায় দিয়ে তাতে পরিমান মত তেল দিয়ে তাপ দিন এবং বাটা মসলা গুলো তেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন । দুই মিনিট পর নারিকেলের দুধ দিয়ে দিন। নারিকেলে দুধ আর মসলা নাড়তে থাকুন তারপর হলুদ ও লবণ মাখানো কচুর লতি মসলার মধ্যে ঢেল...

সরিষা পটল

সরিষা পটল সচরাচর পরিবারে খুব কম খাওয়া হয় তবে খুব অল্প সময়ে সুস্বাদু এই রেসিপিটি তৈরি করা যায়। উপকরণ: পটল, সরিষা বাটা, আদা, রসুন, পেয়াজ বাটা, কাচা মরিচ মিহি বাটা বা ফালি করা, সামান্য দারুচিনি ও জিরা বাটা, হলুদ, লবণ, তেল, পেয়াজ কুচি ও ধনিয়া পাতা। প্রণালী: প্রথমে গোটা গোটা পটল এর খোসা বটি দিয়ে আছড়িয়ে পটলের দুই পাশে হালকা ফালি করে নিতে হবে যেন মসলা গুলো গোটা পটলের মধ্যে ঢুকতে পারে। পটল গুলো ভাল করে ধুয়ে সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন দুই-তিন মিনিট। তারপর রান্নার পাত্রে তেল গরম করে গোটা গোটা লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখানো পটল তাতে ছেড...

মাছের চপ

মাছ আমাদের সবার পছন্দ। কিন্তু মাছের লেজ খেতে মোটামুটি আমরা সবাই অপছন্দ করি। কিন্তু লেজ ছাড়া তো মাছ কেনা যাবেনা। কেউ না খেলে রাধুনিকেই সেটা খেতে হয়। সেই মাছের লেজ দিয়ে আমরা মজাদার চপ বানাতে পারি খুবই সহজে। যা যা লাগবে: দুই তিনটি রুই বা ইলিশ মাছের লেজ, ৩ টি মাঝারি আলু, ১ টি বড় পিয়াজ, ৪ টি কাঁচামরিচ, ১ টি ডিম, আধা চা চামচ হলুদ গুড়া, আধা চা মরিচ গুড়া, আধা চা চামচ জিরা গুড়া, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুড়া, আধা চা চামচ গরম মশলা গুড়া, লবন, তেল। - মাছের লেজ হলুদ, মরিচ, লবন মেখে ১০ মিনিট রেখে দিন - আলু সিদ্ধ করে নিন - সামান্য তেল দিয়ে লেজ গুলো ...

বাইম মাছ ভুনা

বাইম মাছকে অনেকে আবার গুইচি বা গুচা মাছ বলে থাকে। তাজা তাজা বাইম মাছ ভুনা খেতে অনেক সুস্বাদু হয়।বাইম মাছ ভুনা করার পর চারদিকে মাংস রান্নার মত ঘ্রান ম ম করে। উপকরনঃ বাইম মাছ, মরিচের গুড়া, পেয়াজ কুচি, পেয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, গরম মসলা, দারুচিনি, এলাচ, লবন, হলুদ, জিরা বাটা, কাচা মরিচ, ধনিয়া পাতা কুচি ও সয়াবিনের তেল। প্রনালীঃ একটি পাত্রে পরিমান মত সয়াবিনের তেল দিয়ে তার মধ্যে পেয়াজ কুচি, গরম মসলা, দারুচিনি ও এলাচ ছেড়ে দিন। পেয়াজ হালকা বাদামী রঙ এ হয়ে এলে রসুন বাটা, পেয়াজ বাটা ও জিরা বাটা দিয়ে ১ মিনিটের মত কষিয়ে সামান্যে পা...

কাশ্মিরী আলুর দম

আলুর দম অনেকের কাছেই প্রিয় একটা খাবার। বিশেষ করে আলু খেতে যারা পছন্দ করে তাদের জন্য আলুর দম অনেক লোভনীয় খাবার। আলু দিয়ে বিভিন্ন আইটেমের খাবার রান্না করে খাওয়া যায়। বিশেষ কিছু উপকরন দিয়ে তৈরি কাশ্মিরী আলুর দম খেতে অনেক মজাদার এবং সুস্বাদু। উপকরনঃ সিদ্ধ আলু, হিং, তেল, জোয়ান, চিনি, নুন, টকদই, ছোট এলাচ, ভাজা জিরার গুড়া, গরম মসলা, ধনিয়া পাতা ও ফ্রেসক্রীম। প্রনালীঃ প্রথমে কয়েকটা আলু সিদ্ধ করে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে সামান্য হিং তেলের উপর দিয়ে সিদ্ধ করা গোটা গোটা আলু ভাঁজতে থাকুন। আলু ভাজা হয়ে গেলে পরিমান মত জো...

বাচ্চাদের জন্য সবজি খিচুরী

বাচ্চার বয়স যখন ৫-৬ মাসে পরে তখন থেকে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার খাওয়ানো দরকার। কারন তখন থেকে শুরু হয় বাচ্চাদের বড় হওয়া। সে সময় থেকে বাচ্চা তার মা-বাবা ও পরিবারের লোকজনদের অনুভব করতে শিখে। সে জন্য প্রত্যেক মায়ের উচিত বুকের দুধের পাশাপাশি তার শিশুকে অন্য কোন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো। আপনি অনেক রকরমের সবজি একসাথে দিয়ে বাচ্চার জন্য সবজি খিচুরী রান্না করে দিতে পারেন। অনেক অল্প সময়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করে আপনার শিশুকে খাওয়াতে পারেন। উপকরনঃ চাউল, মসুরের ডাল, পেয়াজ, রসুন, নুন, হলুদ, ১টা বা অর্ধেক কাচা মরিচ, পুই-শাক, মিষ্টি কু...

ইলিশ মাছের ডিম দিয়ে করল্লা চচ্চরি

ইলিশ মাছ যে কোন সবজির সাথে রান্না করলে তরকারীর স্বাদ বাড়ে ও খেতে মজা লাগে। করল্লা শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি সবজি। করল্লা অনেক ভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। করল্লা ও ইলিশ মাছে ডিম অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটা খাবার। উপকরনঃ বড় করল্লা, ইলিশ মাছের ডিম, পেয়াজ ২টা, হলুদের গুড়া, ধনে গুড়া, লবন, কাঁচা মরিচ ফালি ও সয়াবিন তেল। প্রনালীঃ প্রথমে ইলিশ মাছের ডিম গুলো ভেজে অন্য একটি পাত্রে উঠিয়ে রাখুন। তারপর চুলায় পাত্র বসিয়ে পরিমানমত তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি দিয়ে দিন। পেয়াজ হালকা বাদামী রঙ ভাজা হলে সামান্য হলুদের গুড়া, ধনে গুড়া দিয়ে গোল গো...

লাউ শাকের ভর্তা

লাউ শাকের ভর্তা গরম গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক স্বাদ লাগে। লাউ এর ডগা থেকে শুরু করে লাউ শাক ও লাউ এর তরকারী সব কিছুই খেতে অনেক সুস্বাদু। লাউ শাক অনেক উপকারী একটা খাবার। বিশেষ করে গরমের দিন লাউ শাক ও লাউ তরকারী শরীরকে ঠান্ডা করে। উপকরনঃ লাউ শাকের পাতা ৬ টি, ২টা কাচা মরিচ, দেশী পেয়াজ ২ টা, লবন ও সরিষার তেল। প্রনালীঃ ভাতের পাত্র চুলা থেকে নামানোর পাঁচ মিনিট আগে যখন ভাতে হালকা হালকা পানি থাকবে তখন লাউ পাতা ও ২ টি কাচা মরিচ ভাতের উপর দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এবার ভাতের পাত্রটি চুলা থেকে নামানোর পর লাউ শাক ও মরিচ তুলে অন্য পাত্রে ঠান্ডা ক...

পাটের শাক ভাজী

গ্রাম-অঞ্চলের মানুষের চেয়ে শহরের মানুষের কাছে পাটের শাক বেশি জনপ্রিয়। পাটের শাক খুব উপকারী একটি খাবার। পাটের শাক গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক সুস্বাদু। উপকরণঃ পাটের শাক, রসুন, পেয়াজ, কাচা মরিচ, লবণ ও তেল। প্রনালীঃ পাটের শাক প্রথমে ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে কেটে নিন। তারপর পরিমান মত লবণ, কাচা মরিচ, রসুন ও পেয়াজ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার পেয়াজ ও রসুন বাদামী রঙ এ ভেজে সিদ্ধ করা শাক ঢেলে দিন। চুলার আঁচটা সামান্য কমিয়ে আস্তে আস্তে নাড়তে থাকুন। যখন ভাজা ভাজা হয়ে যাবে তখন চুলার আঁচ কমিয়ে নামিয়ে ফেলুন। আপনার ইচ্ছা মত আরো অন্যান্য খাবা...

কলমী শাক ভাজি

কলমী শাক এখন বাজারে সচরাচর সব মৌসুমেই পাওয়া যায়। সাধারনত আমরা কলমী শাক ছোট মাছ দিয়ে চোচ্চরি বা শাক ভাজি করে রান্না করে থাকি। কলমী শাক রান্না করা খুবই সহজ। উপকরণঃ কলমী শাক, রসুন, পেয়াজ, কাঁচা মরিচ কুচি ও শুকনা মরিচ এবং লবণ ও তেল সব কিছুই দিতে হবে পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে বাজার থেকে কেনা কলমী শাক ভাল করে বেছে নিতে হবে। শাক বাছার পর বেশি করে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তারপর কিছুক্ষন পানিটা ঝরিয়ে নিয়ে বটি দিয়ে কুচি কুচি করে শাকটা কেটে ফেলুন। এবার একটি পাত্রে কুচি করা শাক, কাচা-মরিচ, পেয়াজ, রসুন ও লবণ সামান্য পরিমান মত দিয়ে পাত্রের মুখে ঢ...

কাঁচ-কলা ভর্তা

কাঁচা বা পাকা উভয় কলা-ই শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কলায় আয়রনের পরিমান বেশি থাকে। কাঁচ-কলা রান্না ও ভর্তা কম বেশি সবাই খেয়ে থাকে। উত্তর অঞ্চলের মানুষ জনের কাছে কাঁচ-কলা ভর্তা একটা জনপ্রিয় খাবার। উপকরনঃ ২ টা কাচ-কলা, ২ টা পেয়াজ কুচি, ৩টা কাচা মরিচ কুচি, সরিষার তেল ও লবণ। প্রনালীঃ প্রথমে কাচ-কলার খোসা সহ একটা পাত্রে পরিমান মত পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। তারপর অন্য একটা পাত্রে মরিচ ও পেয়াজ কুচি হালকা বাদামী রং এ ভেজে নিন। সিদ্ধ করা কাচ-কলা ঠান্ডা করে ভাজা পেয়াজ, মরিচ , লবণ ও সামান্য সরিষার তেল দিয়ে পেস্ট করুন। খুব সহজেই তৈরি হয়ে গে...

কালি জিরা ভর্তা

কালি জিরা অনেক উপকারি একটা উপকরন। কালি জিরা ঠান্ডা,জ্বর, সর্দি-কাশি তাছাড়া মানবজীবনে মহা রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। কালি জিরা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায় তার মধ্যে অন্যতম হল কালি জিরা ভর্তা। কালি জিরা ভর্তা অনেক সুস্বাদু ও মজাদার একটি খাবার। উপকরনঃ ৫০গ্রাম কালি জিরা, বড় বড় ৪ টা রসুন কুচি, ৫টা পেয়াজ কুচি , ২টা কাচা মরিচ, তেল ও লবণ। প্রনালীঃ প্রথমে কালি জিরা চুলার আঁচে হালকা গরম করে নিন। খেয়াল রাখবেন কালি জিরা গরম করতে গিয়ে যেন না পুড়ে যায়। তারপর সামান্য তেলে কাচা মরিচ, রসুন ও পেয়াজ কুচি হালকা বাদামী করে ভেজে নিন। কালি জিরা ও ভাজা মসল...

বেগুন খাশি

আমাদের হাতের কাছে যে সব শাক-সবজি থাকে তা দিয়ে অতি সহজে আমরা সব মজাদার আইটেম তৈরি করে পরিবারে পরিবেশন করতে পারি। সব্জির মধ্যে বেগুন অনেকেরই প্রিয় । বেগুন দিয়ে তৈরি বেগুন খাশি একটি সুস্বাদু ও মজাদার খাবার। উপকরণ: বেগুন, কাচামরিচ, পেয়াজ কুচি ও বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, লবণ, তেল, হলুদ, জিরা বাটা , ডিম ভাজা ও ধনিয়া পাতা। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে ডিম ভেজে কেটে টুকরো করে রাখতে হবে। এরপর বেগুনের কাটা টুকরো গুলো ভেজে অন্য পাত্রে তুলে রাখুন। এবার একটি প্যান এ পরিমান মত তেল দিয়ে কাচা মরিচ ও পেয়াজ কুচি লালচে বাদামী রঙ এ ভেজে তাতে রসুন, আদা, ...

তিল ভর্তা

তিল থেকে তেল হয় এটা সবাই জানে। তেমনি তিল থেকে তৈরি করা যায় মজাদার ও সুস্বাদু ভর্তা। তবে তিলের ভর্তা তৈরি করতে অনেক সময় ও একটু কষ্ট সাধন করতে হবে। উপকরনঃ তিল, তেল, লবণ, পেয়াজ, রসুন ও শুকনা বা কাঁচা মরিচ পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে পরিমানমত তিল নিয়ে রোদে গরম করে নিন। তারপর যাতা বা কুলা আর শিল দিয়ে পিশে তিলের গায়ের খোসাটা ছাড়িয়ে নিন। প্যানে পরিমান মত তিল দিয়ে হালকা ভেজে অন্য পাত্রে রেখে দিন। এবার সামান্য তেল দিয়ে মরিচ, পেয়াজ ও রসুন হালকা বাদামী রঙ এ ভেজে নিন। ভাজা তিল পাটায় বেটে মিহি করে নিন। তারপর ভাজা মরিচ, পেয়াজ , রসুন ও পরি...

মজাদার মুলা ভর্তা

উপকরন -- মুলা ১টা, পিয়াজ কুচি ২টা , শুকনো লাল মরিচ ৫টা, লবন পরিমান মতো , শরিসার তেল ২ টেবিল চামচ , চিংড়ি মাছ কুচি করা আধা কাপ , ধনেপাতা পরিমান মতো । প্রনালী --- প্রথমে সালাদ কাটার দিয়ে মুলা কুচি করে কাটতে হবে। এবার কড়াইতে সরিষার তেল দিয়ে গরম হলে শুকনো মরিচ ভেজে তুলতে হবে। পরে সেই তেলে পিয়াজ হালকা করে ভাজতে হবে। সবশেসে চিংড়ি মাছ ভাজতে হবে। এবার মরিচ, পিয়াজ এবং চিংড়ী মাছ ভাল করে মাখাতে হবে। মাখানো হয়ে গেলে ধনেপাতা দিয়ে মুলা সহ সব উপকরন একসাথে আবার সরিষার তেল দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে। ব্যাস হয়ে...

ভেজিটেবল নিজামী শিক

আপনার পছন্দ মত সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ভেজিটেবল নিজামী শিক। খুব কম সময়ে অল্প খরচে পরিবারের সবার জন্য এই রেসিপিটি পরিবেশন করতে পারেন। উপকরণ: গাজর, মটরশুটি, আলু, বাঁধাকপি, লবণ, আদা বাটা, রসুন ও জিরা বাটা, মরিচের গুড়া, ধনিয়া গুড়া, হলুদের গুড়া ও চিনি। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে গাজর, আলু, বাঁধাকপি টুকরো করে সাথে মটরশুটি দিয়ে একটি পাত্রে পরিমান মত পানি দিয়ে সিদ্ধ দিন। এবার সিদ্ধ করা সবজি গুলো লবণ, আদা বাটা, রসুন ও জিরা বাটা, মরিচের গুড়া, ধনিয়া গুড়া, হলুদের গুড়া বাটা এবং চিনি দিয়ে মাখিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন। ৫ মিনিট পর মাখ...

কুমড়ো ফুলের বরা

কুমড়ো ফুল দেখতে যেমন সুন্দর তেমন খেতে ও অনেক মজা। মজাদার এই কুমড়ো ফুলকে অনেকে অনেক পদ্ধতিতে রান্না করে খায়। যেমন অনেকে কুমড়ো ফুল দিয়ে ছোট মাছ চচ্চরি, ভাজি, ভর্তা ও বরা ইত্যাদি খেয়ে থাকে। কুমড়ো ফুলের বরা সব সময় খাওয়া যায়। আপনে ইচ্ছা করলে ইফতারের জন্য ও এই আইটেম টি বানিয়ে পরিবারের সবাইকে খাওয়াতে পারেন। তাহলে এখনি হাতের কাছে কুমড়ো ফুলের বরার সব উপকরন প্রস্তুত করে ফেলুন। উপকরনঃ কুমড়ো ফুল ৫-৬ টি, বেসন, লাল মরিচের গুড়া, কালো জিরা, ফুল/খাবার সোডা, নুন ও সয়াবিন তেল। প্রনালীঃ প্রথমে গোটা গোটা কুমড়ো ফুল গুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। এব...

আলুর ডাল

আলু অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার। আলু দিয়ে অনেক আইটেমের খাবার রান্না করা যায়। খুব সহজেই আপনি সুস্বাদু আলুর ডাল রান্না করে পরিবারে পরিবেশন করতে পারেন। আপনার পরিবারে অনান্য ডালের সাথে আলুর ডালও নিয়মিত রাখতে পারেন। উপকরনঃ আলু সিদ্ধ আধা কেজি, কাঁচা মরিচ ৭-৮ টি, পেয়াজ কুচি ২টি, রসুন কুচি ১ টি, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, ধনিয়া পাতা, লবণ, হলুদের গুড়া ও সয়াবিনের তেল পরিমান মত। প্রনালীঃ প্রথমে আলু সিদ্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। সিদ্ধ করে আলু ছুলে আলু ভর্তার মত করে পেস্ট করুন। এবার অন্য পাত্রে পরিমান মত তেল দিয়ে ধনিয়া পাতা ছাড়া উপরে...

সরিষা পটল

সরিষা পটল সচরাচর পরিবারে খুব কম খাওয়া হয় তবে খুব অল্প সময়ে সুস্বাদু এই রেসিপিটি তৈরি করা যায়। উপকরণ: পটল, সরিষা বাটা, আদা, রসুন, পেয়াজ বাটা, কাচা মরিচ মিহি বাটা বা ফালি করা, সামান্য দারুচিনি ও জিরা বাটা, হলুদ, লবণ, তেল, পেয়াজ কুচি ও ধনিয়া পাতা। প্রণালী: প্রথমে গোটা গোটা পটল এর খোসা বটি দিয়ে আছড়িয়ে পটলের দুই পাশে হালকা ফালি করে নিতে হবে যেন মসলা গুলো গোটা পটলের মধ্যে ঢুকতে পারে। পটল গুলো ভাল করে ধুয়ে সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন দুই-তিন মিনিট। তারপর রান্নার পাত্রে তেল গরম করে গোটা গোটা লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখানো পটল তাতে ছেড...

কচুর লতির কোরমা

স্বাদে মজাদার একটা অসাধারণ খাবার সহজ প্রস্তুত প্রণালী যা পরিবারের সবাই পচ্ছন্দ করবে। উপকরণ: কচুর লতি, নারিকেলের দুধ, গোল মরিচ, কাচা মরিচ, জিরা বাটা, হলুদ, লবণ, তেল, আদা বাটা, পেয়াজ , রসুন বাটা, ভাজা জিরা গুড়া। প্রণালী: প্রথমে কচুর লতিকে ছোট ছোট করে কেটে ভাল করে ধুয়ে সামান্য হলুদ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। তারপর রান্নার পাত্রটি চুলায় দিয়ে তাতে পরিমান মত তেল দিয়ে তাপ দিন এবং বাটা মসলা গুলো তেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন । দুই মিনিট পর নারিকেলের দুধ দিয়ে দিন। নারিকেলে দুধ আর মসলা নাড়তে থাকুন তারপর হলুদ ও লবণ মাখানো কচুর লতি মসলার মধ্যে ঢেল...

মজাদার মুলা ভর্তা

উপকরন: মুলা ১টা, পিয়াজ কুচি ২টা , শুকনো লাল মরিচ ৫টা, লবন পরিমান মতো , শরিসার তেল ২ টেবিল চামচ , চিংড়ি মাছ কুচি করা আধা কাপ , ধনেপাতা পরিমান মতো । প্রনালী: প্রথমে সালাদ কাটার দিয়ে মুলা কুচি করে কাটতে হবে। এবার কড়াইতে সরিষার তেল দিয়ে গরম হলে শুকনো মরিচ ভেজে তুলতে হবে। পরে সেই তেলে পিয়াজ হালকা করে ভাজতে হবে। সবশেসে চিংড়ি মাছ ভাজতে হবে। এবার মরিচ, পিয়াজ এবং চিংড়ী মাছ ভাল করে মাখাতে হবে। মাখানো হয়ে গেলে ধনেপাতা দিয়ে মুলা সহ সব উপকরন একসাথে আবার সরিষার তেল দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে। ব্যাস হয়ে গেল মজাদার মুলা ভর্তা।

বেগুন ও কুমড়ো বড়ি চচ্চড়ি

নিরামিষ খেতে যেমন আমরা সবাই ভালবাসি, ঠিক তেমনি কুমড়ো বড়ি দিয়ে রান্না খাবারও সবার প্রিয়। কুমড়ো বড়ি মাছ, মাংস, ডিম, কলিজা ইত্যাদির সাথে রান্না করে খাওয়া যায়। তাছাড়াও প্রতিটি সবজি দিয়েও কুমড়ো বড়ির নিরামিষ খাওয়া যায়। তার মধ্যে কুমড়ো বড়ি ও বেগুন চচ্চড়ি খেতে অনেক সুস্বাদু ও মজাদার। উপকরণ: বেগুন, আলু, কুমড়ো বড়ি, পেয়াজ কুচি, আদা, রসুন, জিরা বাটা, লবণ, হলুদ, মরিচ, ধনে গুড়া, তেল। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে একটি প্যানে পরিমান মত তেল দিয়ে আচ দিন। তারপর পরিমান মত কুমড়ো বড়ি তেলের মধ্যে ছেড়ে দিন। কুমড়ো বড়িগুলো হালকা বাদামী রঙ এ ভে...

চিংড়ী মাছের কোপ্তা

উপকরণ: চিংড়ী মাছ, আদা বাটা, পেয়াজ বাটা, মরিচ বাটা , গরম মসলা গুড়া, হলুদ, নুন ও তেল। প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে চিংড়ী মাছের মাথা বাদ দিয়ে খোসা ছাড়িয়ে কিমার মত করে বা বেটেও নিতে পারেন। এবার কিমার মধ্যে আদা বাটা, পেয়াজ বাটা, মরিচ বাটা, পরিমানমত নুন, গরম মসলার গুড়া সব কিছুই পরিমান মত দিয়ে মাখিয়ে রাখুন প্রায় ২ মিনিট। তারপর বড়ার মত করে ডুবো তেলে ভাজুন। গরম গরম সালাদের সাথে বিকেলের নাস্তা হিসেবে পরিবেশন করুন। মুখরোচক চিংড়ী মাছের কোপ্তা খেতে অনেক মজা।

টক-মিষ্টি বেগুন

সবজির মধ্যে বেগুন অনেকেরই পছন্দ এবং বেগুনকে বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। বেগুনের পদের যেনো শেষ নেই। দারুন স্বাদের এই টক মিষ্টি বেগুন পরিবেশনেও খুবই চমত্কার। উপকরণ: ছোট গোল বেগুন, লবন, সয়াবিন তেল, পাঁচফোড়ন, পিয়াজ বাটা, আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদের গুড়া, মরিচের গুড়া, ধনিয়ার গুড়া, জিরার গুড়া, ধনিয়া পাতা, তেতুল, ও চিনি। প্রণালী: প্রথমে বেগুন ভালোভাবে ধুয়ে টুথপিক দিয়ে বেগুনের গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র করে নিন। সামান্য লবন দিয়ে বেগুনটি মাখিয়ে রাখুন। তেতুলের টক তৈরীর জন্য একটি পাত্রে পরিমানমতো পানি নিয়ে তাতে তেতুল ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পড়ে পান...

নারকেল দুধে ইলিশ মাছ ভোনা

ইলিশ মাছ প্রত্যেকটা বাঙ্গালীর প্রিয় মাছ। বৈশাখ মাস থেকে শুরু হয় ইলিশ ও পান্তা খাওয়ার ধুম।পান্তা ইলিশ বিভিন্ন ভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। তার মধ্যে নারকেল দুধে ইলিশ মাছ ভোনা অনেক জনপ্রিয়। উপকরণ: ইলিশ মাছ, নারকেলের দুধ, তেল, পেয়াজ কুচি, হলুদ, ধনেগুড়া, জিরাগুড়া, লবণ, কাঁচামরিচ, শুকনা মরিচের গুড়া। প্রনালী: প্রথমে মাছ পরিষ্কার করে কেটে ধুয়ে রাখতে হবে। তারপর একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে পেয়াজ কুচি ভাঁজতে হবে। একটু বাদামী রং হয়ে এলে পরিমান মত হলুদ, ধনেগুড়া, জিরার গুড়া, লবন ও সামান্য নারকেল দুধ দিতে হবে। সম্পূর্ণ রান্নাটাই করতে হবে ন...